ক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্যাট্রিক মার্ফি আগামী সপ্তাহে মিয়ানমার সফরে যাবেন। বার্মিজ কর্তৃপক্ষ গতকাল সাফ জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিনমন্ত্রীকে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এ সংবাদ জানিয়েছে।
মিয়ানমারের কর্মকর্তারা জানান, রাজধানী নেপিডোতে দেশটির নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন প্যাট্রিক মার্ফি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতির উদ্দেশে দেওয়া সু চির ভাষণও তিনি প্রত্যক্ষ করার সুযোগ পাবেন।
রাখাইনের রাজ্যসচিব টিন মং সুই রয়টার্সকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উপ-সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিটওয়েতে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। সেখানে তিনি রাখাইনের গভর্নর ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলবেন। তবে তাকে রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের সংঘাতপূর্ণ এলাকায় যেতে দেওয়া হবে না।
এর আগে ১৩ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জাও হাতা জানান, তার দেশের ১৭৬টি রোহিঙ্গা গ্রাম পুরোপুরি জনশূন্য। এসব গ্রাম ছেড়ে সবাই পালিয়ে গেছেন। এটা মিয়ানমারের মোট রোহিঙ্গা গ্রামের ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া অন্তত ৩৪টি গ্রাম প্রায় পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে।
চলতি বছরের আগস্টে ৪৭১টি রোহিঙ্গা গ্রামকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করে ‘ক্লিয়ারেন্স অপারেশন্স’ শুরু করে বর্মি সেনারা। এর মধ্যে ১৭৬টি গ্রামেই এখন কোনো রোহিঙ্গার অস্তিত্ব নেই। সেনাবাহিনী ও উগ্রপন্থী বৌদ্ধদের হাত থেকে জীবন বাঁচাতে তাদের অধিকাংশই বাংলাদেশে পালিয়ে গেছে। লোকচক্ষুর অন্তরালে বন-জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছেন অনেকে।






