জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেছেন, ‘ভোজ্য তেলের বাজারে চার স্তরের প্রতিটিতেই অনিয়ম হচ্ছে। এর কষ্ট বইতে হচ্ছে ভোক্তাদের। চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও ঢাকার মৌলভীবাজার থেকে পুরো বাংলাদেশের ভোজ্য তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। আমরা সেই দুই বাজারের প্রভাব ভাঙছি।
এখন একটি কমিউনিটি চাইলে সরাসরি এক ট্রাক তেল রিফাইনারি থেকে কিনতে পারবে। এতে করে বিক্রির চার স্তর (আমদানিকারক/রিফাইনারি, ডিলার, পাইকারি এবং খুচরা) বন্ধ হবে, একই সঙ্গে অনিয়মও বন্ধ হবে। ’
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে শফিকুজ্জামান বলেন, ‘অস্থিরতা কমাতে আমরা ভোজ্য তেলের শুল্ক প্রত্যাহার করেছি এবং দর বেঁধে দিয়েছি। কিন্তু শুল্ক প্রত্যাহারের আগে বাজারটা অস্থির করল কে, সেই খোঁজ আমরা নিচ্ছি। আমাদের বলা হলো, শুল্ক প্রত্যাহারের তেল বাজারে আসেনি। কিন্তু আমরা খোঁজ নিয়ে দেখলাম, এক লাখ টন তেল বাজারে ঢুকেছে। ফলে তথ্যের একটি ঘাটতি দেখা গেল। এই ঘাটতি দূর করতে আমরা একটি অ্যাপস করছি। যেখানে রিয়েল টাইম ডাটা থাকবে।






